বাংলাদেশ থেকে আমদানি পণ্যের শুল্ক ৩৫ নির্ধারণ করলেন ট্রাম্প-newsedge24

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ও এখতিয়ারবহির্ভূত ঘোষণা করার পরও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পাল্টা আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি আদালতের রায়কে ‘লজ্জাজনক’ বলে সমালোচনা করে আরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। বিচারকদের রায়ে তিনি হতাশ বলেও জানিয়েছেন।

এহেন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে—আদালতের নির্দেশ অনুসারে এতদিনের শুল্ক বাবদ আয়ের টাকা ট্রাম্প প্রশাসনকে ফেরত দিতে হবে কি না? মার্কিন আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষয়টি এতটা সহজ নয়। ট্রাম্প জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ করে বিভিন্ন দেশের ওপর আমদানি শুল্ক আরোপ করেছিলেন। আদালত সেটিকে অবৈধ বলেছে। ফলে টাকা ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বৈশ্বিক আমদানি শুল্ক থেকে ট্রাম্প প্রশাসন ১৩.৩৫ হাজার কোটি ডলার আয় করেছে। আদালত শুল্ককে এখতিয়ারবহির্ভূত বললেও টাকা ফেরতের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কবাবদ টাকা ফেরত পেতে চাইলে আক্রান্ত কোম্পানি বা ব্যক্তিদের আলাদা মামলা করতে হবে।

ইতিমধ্যে এমন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর হাজারের বেশি সংস্থা টাকা ফেরতের জন্য আইনি লড়াই শুরু করেছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “আগামী পাঁচ বছর ধরে আমাদের সকলকে কোর্টের চক্কর কেটে বেড়াতে হবে।”

ট্রাম্প জানিয়েছেন, ১২২ নম্বর ধারার অধীনে আরোপিত স্বাভাবিক শুল্কের ওপর আরও ১০ শতাংশ আন্তর্জাতিক শুল্ক আরোপ করছেন। এটি আরও বাড়তে পারে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

আরও পড়ুন: সিরিয়া থেকে অবশিষ্ট সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

১৯৭৪ সালের মার্কিন বাণিজ্য আইনের ১২২ ধারার কথা উল্লেখ করলেও এটি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া বেশি দিন টিকবে না। সর্বোচ্চ ১৫০ দিন এই শুল্ক কার্যকর হতে পারে। তারপরও রাখতে চাইলে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *