অভিবাসন-আবেদন-স্থগিত-newsedge24

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তালিকা আরও সম্প্রসারণ করতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী ক্রিস্টি নোম বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ৩০টিরও বেশি দেশের নাগরিকদের ওপর নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা চলছে।

সঞ্চালক লরা ইনগ্রাহামের প্রশ্নের জবাবে নোম বলেন, “সঠিক সংখ্যা এখনো বলব না, তবে এটা ৩০-এর অনেক বেশি। প্রেসিডেন্ট এখনো বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন।” তিনি যোগ করেন, “যে দেশগুলোর স্থিতিশীল সরকার নেই, যারা নিজেদের নাগরিকদের পরিচয় যাচাই করতে পারে না বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করে না—সেই দেশ থেকে মানুষকে কেন আমরা প্রবেশের অনুমতি দেব?”

চলতি বছরের জুনে ট্রাম্প ১২টি দেশের নাগরিকদের পুরোপুরি প্রবেশ নিষিদ্ধ এবং আরও ৭টি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। এবারের সম্প্রসারণে মোট নিষিদ্ধ দেশের সংখ্যা ৪৩-৪৭টির মতো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে গত সপ্তাহে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত এক আফগান নাগরিক ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসনের পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। এই ঘটনার পরই ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন ও ভ্রমণ নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

হামলার কয়েক দিন পরই ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি “তৃতীয় বিশ্বের” দেশগুলো থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করতে চান। এছাড়া বাইডেন আমলে দেওয়া সব গ্রিন কার্ড ও আশ্রয় মঞ্জুরির পুনঃপর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিয়েছে:

  • যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়া
  • বড় শহরগুলোতে ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন
  • দ্রুতগতিতে বহিষ্কার কার্যক্রম

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নতুন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *