যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের পুনরাবৃত্ত দাবির তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউরোপীয় নেতারা একযোগে বলেছেন, আর্কটিকের এই বিশাল দ্বীপটি তার জনগণের এবং এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন ও যুক্তরাজ্যের নেতারা ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়ান। বিবৃতিতে বলা হয়, “গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড-সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র এ দুই পক্ষের। বাইরের কোনো শক্তির হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং ন্যাটোর মূল চেতনার পরিপন্থি।” এর আগে ভেনেজুয়েলায় মাদুরো গ্রেপ্তারের পর ট্রাম্প আবার গ্রিনল্যান্ড নিয়ে দাবি তোলেন।
তিনি বলেন, চীন-রাশিয়ার প্রভাব মোকাবিলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আসা প্রয়োজন। হোয়াইট হাউজের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার সিএনএন-এ বলেন, “গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়া উচিত। কেউ সামরিকভাবে লড়াই করবে না।”
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, “ট্রাম্পের হুমকি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র যদি ন্যাটোর কোনো সদস্যের ওপর হামলা করে, তাহলে ন্যাটো এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থা শেষ হয়ে যাবে।”
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। দখলের কল্পনা বন্ধ করুন।” বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভেনেজুয়েলা অভিযানের পর গ্রিনল্যান্ড ইস্যু ন্যাটোর ঐক্য এবং ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্ককে গভীর সংকটে ফেলতে পারে। গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান, খনিজ সম্পদ এবং আর্কটিক প্রভাবের কারণে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































