রণধীর জয়সোয়াল-newsedge24

বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে ভারত। ঢাকার সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় নয়াদিল্লি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ইতিবাচক করে তোলাই ভারতের লক্ষ্য। আজ শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের এই ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।

সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ভিসার কড়াকড়ি তুলে দেওয়ার ইঙ্গিতও দেন তিনি। ভিসা সহজ করার সিদ্ধান্ত সম্পর্কের উন্নতির প্রথম ধাপ হতে চলেছে কি না—এমন এক প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে জয়সোয়াল বলেন, সে দেশে একটা নতুন সরকার এসেছে। সম্পর্কের উন্নতিতে সব বিষয় নিয়েই নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ভারত চায় দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বহুমুখী সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে।

ভারত আগেই জানিয়েছিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবে। ভোটের আগে থেকেই সম্পর্কের উন্নতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিতও দেওয়া হচ্ছিল। প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, নির্বাচনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের ভাবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। শপথ গ্রহণের দিন ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর লেখা এক চিঠি তুলে দেন। সেই চিঠিতে লেখা ছিল, ভারত এক গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ দেখতে আগ্রহী। সেই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশকে সাহায্য করতে ভারত যে অঙ্গীকারবদ্ধ, চিঠিতে তা লেখা ছিল।

তারেক রহমানের সঙ্গে ওম বিরলা দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছিলেন—তাও উল্লেখ করেন রণধীর জয়সোয়াল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত এক উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বহুমুখী সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে ভারত অপেক্ষায় রয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে সম্পর্ককে কী করে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, ভারত তা নিশ্চিত করতে আগ্রহী।

আরও পড়ুন: তারেক রহমানকে ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিনন্দন

ভারতে মৌলবাদের বিস্তার নিয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার মন্তব্য সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রকে একটি প্রশ্ন করেছিলেন একজন সাংবাদিক। সেই প্রশ্নের বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে জয়সোয়াল বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের সর্বাঙ্গীন উন্নতিতে কাজ করার ওপর জোর দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *