প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-newsedge24

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধের সমাধানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতা কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের নেতৃত্বের প্রশংসায় মুগ্ধ, যখন ট্রাম্প নিজেও এই প্রক্রিয়াকে ‘কুয়ালালামপুর শান্তিচুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত শান্তিচুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ট্রাম্পের অক্লান্ত প্রচেষ্টার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্ব এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সম্ভব করেছে। তাঁর অবিরাম চেষ্টা ছাড়া এমন শান্তির পথ খোলা কঠিন হতো।”

এদিকে, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলও ট্রাম্পকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “অস্ত্র অপসারণ এবং যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি তাৎক্ষণিকভাবে শুরু হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এই ঘোষণা যদি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এটি স্থায়ী শান্তির একটি দৃঢ় ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।”

ঘটনাটি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হলেও, নামকরণ নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প এই চুক্তিকে ‘কুয়ালালামপুর শান্তিচুক্তি’ বলে অভিহিত করেছেন। কিন্তু অনুষ্ঠানের মঞ্চে লিখিত ছিল ‘কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড শান্তিচুক্তি’। আরও আশ্চর্যজনকভাবে, থাইল্যান্ডের অফিসিয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এটিকে ‘শান্তিচুক্তি’ না বলে ‘থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া সম্পর্কের যৌথ ঘোষণাপত্র’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চীন সফরে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

এই চুক্তির ফলে উভয় দেশের সীমান্তে উত্তেজনা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক সংকেত। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ এশিয়ান ভূ-রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *