প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-newsedge24

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তার দাবিকে আরও জোরালো করে বলেছেন, এটি না পেলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় অপমান হবে। তিনি দাবি করেন, তার নেতৃত্বে ইতিমধ্যে সাতটি বৈশ্বিক সংঘাতের অবসান ঘটেছে এবং গাজায় তার প্রস্তাবিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা সফল হলে আট মাসে আটটি সংঘাত মিটবে।

ভার্জিনিয়ার কোয়ান্টিকোতে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর জেনারেল ও অ্যাডমিরালদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, “যদি এটি সফল হয়, তাহলে আট মাসে আটটা সংঘাত মিটে যাবে। এটা খুবই ভালো সাফল্য। কেউ কোনোদিন এটা করেনি। আমি কি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাবো? অবশ্যই না।” তিনি ব্যঙ্গ করে যোগ করেন, “পুরস্কারটা দেওয়া হবে এমন কাউকে, যে কিছুই করেনি। দেওয়া হবে এমন একজনকে, যে শুধু একটা বই লিখেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনের ভেতরে কী ছিল আর যুদ্ধ মেটাতে কী লেগেছিল সেটা নিয়ে। নোবেলটা চলে যাবে একজন লেখকের হাতে।”

ট্রাম্প গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ তার ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার মাধ্যমে শেষ হওয়ার আশা প্রকাশ করেন। এই পরিকল্পনায় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, হামাসের সকল জিম্মির মুক্তি, হামাসের ক্ষমতা থেকে অপসারণ এবং গাজাকে “ডির‍্যাডিকালাইজড টেরর-ফ্রি জোন” হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং ট্রাম্পকে নোবেলের জন্য মনোনীত করেছেন।

ট্রাম্প বলেন, “না, তবে দেখা যাক কী হয়। তবে এটুকু বলি, যদি না পাই তবে সেটা হবে আমাদের দেশের জন্য বড় অপমান। আমি ব্যক্তিগতভাবে সেটা চাই না, আমি চাই দেশটি এই স্বীকৃতি পাক। কারণ এর আগে কখনো এমন কিছু ঘটেনি।” তিনি তার পূর্ববর্তী অর্জনগুলোর কথা উল্লেখ করে বলেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস এবং অন্যান্য সংঘাত মিটানোর কৃতিত্ব তার।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের গাজায় শান্তি প্রস্তাবে পাকিস্তানের সমর্থন

যদিও নোবেল বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের সম্ভাবনা নিয়ে সন্দিহান, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, “যদি ট্রাম্প নোবেল চান, তাহলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করুন।” হামাস পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছে, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায়। বিশ্ব নেতারা এই পরিকল্পনাকে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির নতুন সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *