সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কয়েকটি সংগঠনের চলমান কর্মবিরতি ও তৃতীয় প্রান্তিকের পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “সকল সহকারী শিক্ষককে অবিলম্বে কাজে যোগদান করে শিক্ষার্থীদের তৃতীয় প্রান্তিকের পরীক্ষা গ্রহণসহ বিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সহকারী শিক্ষকদের প্রধান দাবিগুলোর বিষয়ে ইতোমধ্যে ব্যা পক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:
- ১১তম গ্রেডে বেতন এবং ১০ ও ১৬ বছর চাকরি পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসনে অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে।
- প্রধান শিক্ষক পদে ১০০% বিভাগীয় পদোন্নতির বিষয়েও পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
- গত ৭ আগস্ট জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫-এর কাছে ১৩তম থেকে ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
- ১০ নভেম্বর অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে জানানো হয়েছে, বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়া মাত্রই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
- উপদেষ্টা (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), অর্থ উপদেষ্টা ও বেতন কমিশনের সভাপতির সঙ্গে সরাসরি আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কর্মবিরতিতে শিক্ষকরা, দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি
এসব পদক্ষেপের পরও কিছু সংগঠন পরীক্ষা গ্রহণে বাধা দিচ্ছে এবং কোথাও কোথাও পরীক্ষা নিতে ইচ্ছুক শিক্ষকদের ওপর হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে মন্ত্রণালয় “চাকরি আইন ও আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন” এবং “ফৌজদারি অপরাধ” বলে অভিহিত করেছে।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে এ ধরনের কর্মসূচি অগ্রহণযোগ্য বলে মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে।



















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































