ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ ভ্রাম্যমাণ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদে বৃহস্পতিবার (১৫ মে ২০২৫) সকাল ৯টা থেকে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কয়েক শ অবৈধ স্থাপনা চারটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এবং অভিযান চলমান রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-সংলগ্ন উদ্যানের ফটক এলাকা থেকে অভিযান শুরু হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম। অভিযান শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এস্টেট ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা উপস্থিত ছিলেন। গণপূর্ত অধিদপ্তর, শাহবাগ থানার পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), এবং আনসার সদস্যরা সমন্বিতভাবে এতে অংশ নিচ্ছেন। আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “এটি একটি জাতীয় উদ্যান। সবাই যাতে নিরাপদে চলাফেরা করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।” অভিযানের পটভূমি হলো গত মঙ্গলবার (১৩ মে ২০২৫) দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্যর উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হওয়ার ঘটনা। সাম্য বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এই ঘটনার পর উদ্যান ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ওঠে। ছাত্রদলসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে পদক্ষেপের দাবি জানায়। এই প্রেক্ষাপটে বুধবার (১৪ মে) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের সভায় নিরাপত্তা জোরদারে সাতটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ফেসবুকে এই সিদ্ধান্তগুলো প্রকাশ করেন। সিদ্ধান্তগুলো হলো: ১. টিএসসি-সংলগ্ন ফটক (রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেট) স্থায়ীভাবে বন্ধ করা। ২. অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, মাদক ব্যবসা বন্ধ, এবং পরিচ্ছন্নতার জন্য যৌথ অভিযান। ৩. নিয়মিত নজরদারির জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে কমিটি গঠন। ৪. পর্যাপ্ত আলো ও সিসিটিভি স্থাপন এবং নিয়মিত মনিটরিং। ৫. ডেডিকেটেড পুলিশ বক্স স্থাপন। ৬. রমনা পার্কের মতো সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা চালু। ৭. রাত ৮টার পর জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ। উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভ্রাম্যমাণ দোকানিরা। দোকানি রনি মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, “অপরাধ করেছে বাইরের লোকজন, কিন্তু আমাদের ক্ষতি হচ্ছে। এই দোকান দিয়েই আমাদের সংসার চলে।” ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা বলেন, “উদ্যানের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ ভ্রাম্যমাণ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদে বৃহস্পতিবার (১৫ মে ২০২৫) সকাল ৯টা থেকে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কয়েক শ অবৈধ স্থাপনা চারটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এবং অভিযান চলমান রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-সংলগ্ন উদ্যানের ফটক এলাকা থেকে অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম। অভিযান শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এস্টেট ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা উপস্থিত ছিলেন। গণপূর্ত অধিদপ্তর, শাহবাগ থানার পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), এবং আনসার সদস্যরা সমন্বিতভাবে এতে অংশ নিচ্ছেন। আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “এটি একটি জাতীয় উদ্যান। সবাই যাতে নিরাপদে চলাফেরা করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।”

অভিযানের পটভূমি হলো গত মঙ্গলবার (১৩ মে ২০২৫) দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্যর উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হওয়ার ঘটনা। সাম্য বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এই ঘটনার পর উদ্যান ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ওঠে। ছাত্রদলসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে পদক্ষেপের দাবি জানায়।

এই প্রেক্ষাপটে বুধবার (১৪ মে) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের সভায় নিরাপত্তা জোরদারে সাতটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ফেসবুকে এই সিদ্ধান্তগুলো প্রকাশ করেন। সিদ্ধান্তগুলো হলো:
১. টিএসসি-সংলগ্ন ফটক (রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেট) স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।
২. অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, মাদক ব্যবসা বন্ধ, এবং পরিচ্ছন্নতার জন্য যৌথ অভিযান।
৩. নিয়মিত নজরদারির জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে কমিটি গঠন।
৪. পর্যাপ্ত আলো ও সিসিটিভি স্থাপন এবং নিয়মিত মনিটরিং।
৫. ডেডিকেটেড পুলিশ বক্স স্থাপন।
৬. রমনা পার্কের মতো সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা চালু।
৭. রাত ৮টার পর জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ।

উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভ্রাম্যমাণ দোকানিরা। এক দোকানি বলেন, “অপরাধ করেছে বাইরের লোকজন, কিন্তু আমাদের ক্ষতি হচ্ছে। এই দোকান দিয়েই আমাদের সংসার চলে।” ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা বলেন, “উদ্যানের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *