রাজধানীর সেতু ভবন থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত সড়কে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের অবরোধের কারণে রোববার (১৩ জুলাই ২০২৫) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেকে হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা দিয়েছেন।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাসেল সারওয়ার জানান, সকাল থেকে সিএনজি চালকরা সেতু ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন। তিনি বলেন, “এতে এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সকাল থেকে এখানে আছি, জনদুর্ভোগ কমাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”
বিক্ষোভকারী চালকরা দুপুর ১২টার দিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনের সামনে অবস্থান নেন। তারা ঢাকা মহানগরে সিএনজি অটোরিকশা চালানোর জন্য নির্দিষ্ট রুট নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। চালকরা অভিযোগ করেন, এর আগে একাধিকবার বিআরটিএ’র কাছে দাবি জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
আন্দোলনকারীদের মধ্যে অনেকে কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তারা ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। একজন চালক বলেন, “গত ৮-৯ মাস ধরে আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। ঢাকা মহানগরে গাড়ি ঢুকলেই ১০-১৫ হাজার টাকার মামলা দেওয়া হয়। আমাদের রুট মেট্রো সার্ভিস মালিকদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।” চালকদের দাবি, ঢাকা মহানগরে সিএনজি অটোরিকশা চালানোর অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেন না। তারা জানান, বিআরটিএ’র কোনো কর্মকর্তা এখনো তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।
আরও পড়ুন: সংস্কারের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে: রুহুল কবির রিজভী
এই বিক্ষোভের ফলে বনানী, এয়ারপোর্ট এবং আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রী ও পথচারীরা বিকল্প পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন। এর আগে, ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ সিএনজি চালকরা মিটারভিত্তিক ভাড়া বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেছিলেন, যা পরে বিআরটিএ’র সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পর উঠিয়ে নেওয়া হয়।



















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































