জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর কলকাতার একটি গোপন স্থানে বৈঠক করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ নেতারা। সোমবারের এই বৈঠক থেকে মঙ্গলবার বাংলাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া ‘Awami leaders in exile plan stir in Bangla’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত একজন সিনিয়র নেতা বলেছেন, “৫ আগস্টের পর থেকেই এটা নির্ধারিত ছিল। শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ক্ষমতাসীনরা উন্মুখ ছিল। তারা বিচারবিভাগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।” ওই নেতা আরও বলেন, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে এবং তার পক্ষে প্রস্তাবিত আইনজীবীদের আদালতে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি না দেওয়ায় আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের রায়কে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে মিথ্যা অভিযোগে এই মামলা করা হয়েছে। আমরা এই রায় প্রত্যাখ্যান করছি।” তিনি আরও বলেন, “শিগগিরই যমুনামুখী মার্চসহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হবে। দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে এটা হবে অত্যন্ত কঠোর আন্দোলন।”
আরও পড়ুন: ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে শেখ হাসিনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতারা এই রায়কে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টার কারণেও এই প্রতিশোধ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনী আওয়ামী লীগের এই গোপন কর্মসূচি ও সম্ভাব্য বিক্ষোভের বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।



















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































