ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা-newsedge24

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে একজন প্রভাবশালী মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, এটি দুই দেশের সমন্বিত সামরিক অভিযানের অংশ। হামলা শুরু হয়েছে শনিবার সকালে (স্থানীয় সময়), এবং এটিকে ইসরাইল “প্রতিরোধমূলক”  আক্রমণ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেছেন, হামলার উদ্দেশ্য ইরানের “অস্তিত্বের হুমকি” দূর করা। তিনি পুরো ইসরাইলে “বিশেষ ও স্থায়ী জরুরি অবস্থা” ঘোষণা করেছেন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী (IDF) জানিয়েছে, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় সারাদেশে সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং জনগণকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভিডিওতে বলেছেন, এটি “বড় ধরনের ও চলমান”  অভিযান, যার লক্ষ্য ইরানের সামরিক ও নিউক্লিয়ার ক্ষমতা ধ্বংস করা এবং সম্ভাব্য রেজিম পরিবর্তন। মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামলা মূলত ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে  চালানো হচ্ছে।

তেহরানের কেন্দ্রস্থলে (রিপাবলিক এলাকা, পাস্তুর স্ট্রিট, ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট) একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরানি গণমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ধোঁয়ার স্তম্ভ উঠতে দেখা গেছে, বিশেষ করে সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অফিস ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের কাছাকাছি এলাকায়।

এই হামলা ইরানের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম, ব্যালিস্টিক মিসাইল ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে উদ্বেগ বাড়ছে, এবং সংঘাত আরও বড় আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *