তাইওয়ান-প্রেসিডেন্ট লাই চিং-newsedge24

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্ক বার্তার পর আরও জোরালোভাবে নিজেদের সার্বভৌম, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছে তাইওয়ান। গত শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, তাইওয়ান একটি সার্বভৌম, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অধীন নয়।

এর আগে শুক্রবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দুই দিনের সফর শেষ করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাকে তাইওয়ানকে সমর্থন না করার আহ্বান জানান।

সফর থেকে ফিরে ফক্স নিউজের ‘স্পেশাল রিপোর্ট উইথ ব্রেট বেইয়ার’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, “আমি চাই না কেউ স্বাধীনতা ঘোষণা করুক। একটি যুদ্ধ করতে হলে আমাদের সাড়ে নয় হাজার মাইল পথ পাড়ি দিতে হবে, যা আমি চাই না। আমি চাই তারা শান্ত থাকুক এবং চীনও শান্ত থাকুক।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখলে চীনেরও কোনো আপত্তি থাকবে না বলে তিনি মনে করেন। তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

আরও পড়ুন: তাইওয়ানকে স্বাধীনতা ঘোষণা না করার সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

আলোচনার পর ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাইওয়ানকে ১১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন শীঘ্রই দেওয়া হতে পারে। মার্কিন প্রশাসন আইনত তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা জোগানোর প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে পূর্বে বলেছেন, আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার প্রয়োজন নেই কারণ তাইওয়ান ইতিমধ্যেই নিজেকে সার্বভৌম দেশ হিসেবে দেখে। শনিবার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র কারেন কু বলেন, “এটি প্রমাণিত যে তাইওয়ান একটি সার্বভৌম, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ। আমরা চীনের সঙ্গে বর্তমান স্থিতি বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

1 comment on “তাইওয়ান নিজেকে সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশ হিসেবে ঘোষণা করল”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *