ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে মার্কিন সামরিক বাহিনী বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) প্রতিবেদন অনুসারে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪২টি মার্কিন সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলোই সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া বিমানের মধ্যে রয়েছে ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। প্রতিটির দাম প্রায় ৩ কোটি ডলার। এছাড়া চারটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানের মধ্যে তিনটি ১ মার্চ কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারে’ ভূপাতিত হয়। চতুর্থটি ইরানি বাহিনীর গুলিতে ধ্বংস হয়।
একই অভিযানে দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো টু বিমান ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে ধ্বংস করা হয়, কারণ সেগুলো আর উড্ডয়নযোগ্য ছিল না। একটি এ-১০ ওয়ারথগ স্থল আক্রমণ বিমান ইরানি গুলিতে ভূপাতিত হয়। এছাড়া একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ছয় ক্রু সদস্য নিহত হন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মাটিতে থাকা অবস্থায় ৬টি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার মধ্যে একটি ই-৩ সেন্ট্রি এডব্লিউএসিএস নজরদারি বিমানও রয়েছে। উদ্ধার অভিযানে একটি এইচএইচ-৬০ ডব্লিউ জলি গ্রিন হেলিকপ্টারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি নিয়ে সতর্ক করল চীন-রাশিয়া
পেন্টাগনের কম্পট্রোলারের সাক্ষ্য অনুসারে, যুদ্ধের ব্যয় দ্রুত বেড়ে ২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও এই ব্যয় ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার। বড় অংশ ব্যয় হয়েছে গোলাবারুদ প্রতিস্থাপন, সরঞ্জাম মেরামত ও মোতায়েনকৃত বাহিনীর পরিচালনায়।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে সাম্প্রতিক ফোনালাপে নতুন করে হামলা চালানো নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। ইসরায়েল চায় সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে, অন্যদিকে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগসহ একটি চুক্তির মাধ্যমে সংকট সমাধান করতে চান।


















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































2 comments on “ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪২টি সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস”