যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানে এখন পর্যন্ত ৭৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এর মধ্যে বেসামরিক নাগরিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্ক (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, ১৭৬ শিশুসহ অন্তত ৭৪২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ইরানি পার্লামেন্টের স্বাস্থ্য কমিশনের সদস্য ডা. ফাতেমেহ মোহাম্মদবেগি অভিযোগ করেছেন, দেশের ৯টি হাসপাতালে সরাসরি হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র আমাদের চিকিৎসা অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এটি যুদ্ধাপরাধের সমতুল্য।” বিশেষ করে তেহরানের গান্ধী হাসপাতালে হামলার অভিযোগ সবচেয়ে তীব্র। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “হাসপাতালে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও যুদ্ধ আইন লঙ্ঘন করেছে।”
আরও পড়ুন: ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ জীবিত ও নিরাপদ আছেন
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, “আমরা কখনো হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালাইনি। যদি কোনো হাসপাতালের কাছাকাছি ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে, তাহলে তা ইরানের সামরিক স্থাপনা থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের কারণে হতে পারে।” যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও একই ধরনের বক্তব্য এসেছে—তারা দাবি করেছে, হামলা শুধুমাত্র সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ ছিল।

















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































