মার্কিন সেনা-newsedge4

ইরানে স্থল সেনা মোতায়েনের যেকোনো সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের মতামত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান প্রতিনিধি ন্যান্সি মেস। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের ভেতরের বিভক্তি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

রোববার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ন্যান্সি মেস এসব কথা বলেন। তার আগে তিনি প্রতিনিধি পরিষদের একটি গোপন ব্রিফিংয়ে অংশ নেন। সেখানে যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনায় প্রশাসনের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন ইরানে সীমিত স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে খার্গ দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি এলাকায় হামলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ন্যান্সি মেস বলেন, “যদি আমরা মেরিন ও ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশন নিয়ে প্রচলিত স্থল অভিযান চালাতে যাই, তাহলে সেটি একটি পূর্ণাঙ্গ স্থল যুদ্ধ হবে। আমি মনে করি এতে কংগ্রেসের মতামত থাকা উচিত এবং আমাদের ব্রিফ করা উচিত।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা মাটিতে সেনা চাই না। অনেকের জন্য এটিই সীমারেখা। যদি আমরা সেটা করতে যাই, তাহলে কংগ্রেসে এসে যথাযথ অনুমোদন নিতে হবে।”

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো প্রকাশ্যে ইরানে সেনা পাঠানোর পক্ষে অবস্থান নেননি। তবে তিনি বলেছেন, সব বিকল্প খোলা আছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর এক মাসে তিনি সামগ্রিকভাবে সফলতার দাবি করেছেন, তবে যুদ্ধের শেষ লক্ষ্য ও সময়সীমা এখনো অস্পষ্ট।

রোববার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, পেন্টাগন নিয়মিতভাবে প্রেসিডেন্টের জন্য বিভিন্ন বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করে। এর মানে এই নয় যে প্রেসিডেন্ট কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানো ট্রাম্পের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক সীমারেখা। টেক্সাসের ডালাসে অনুষ্ঠিত কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে (সিপ্যাক) এই বিভক্তি স্পষ্ট দেখা গেছে। অনেক বক্তা যুদ্ধকে সমর্থন করেছেন বা বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। তবে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ও সাবেক কংগ্রেস সদস্য ম্যাট গেটজ সম্ভাব্য স্থল আগ্রাসনের সরাসরি বিরোধিতা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *