ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান-newsedge24

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আজ শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক বৈঠক শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং হরমুজ প্রণালির স্থিতিশীলতার জন্য এই আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুসারে, স্থানীয় সময় শনিবার সকালে বৈঠক শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। এতে আরও অংশ নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকতে পারেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তবে ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিনিধিদলের নাম প্রকাশ করেনি।

যুদ্ধবিরতি ও অনিশ্চয়তা

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে। তবে এর স্থায়িত্ব নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলের তীব্র হামলা এবং লেবাননকে যুদ্ধবিরতির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না—এই বিতর্ক পুরো প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তায় ফেলেছে।

ইরানের অবস্থান হলো— লেবাননসহ হিজবুল্লাহর ওপর যেকোনো হামলা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলছে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়ে না।

ট্রাম্প প্রশাসন ১৫ দফার একটি তালিকা তৈরি করেছে। এতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর, সামরিক সক্ষমতায় সীমা আরোপ এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার শর্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা আলোচনার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি মনে করি এটি ইতিবাচক হবে।”

ইরানের পক্ষ থেকে গালিবাফ বলেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত না হওয়া এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি অর্থ ছাড় না দেওয়া পর্যন্ত আলোচনা অর্থবহ হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *