মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৯৮ জন বিদেশি নাগরিককে প্রবেশে বাধা দিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক। প্রবেশে বাধার প্রধান কারণ হিসেবে অপর্যাপ্ত তহবিল, আবাসন বুকিংয়ের অভাব এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্টতাকে উল্লেখ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই, ২০২৫) দেশটির গণমাধ্যম মালয় মেইল এ তথ্য জানিয়েছে।
মালয়েশিয়ার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থার (একেপিএস) মহাপরিচালক দাতুক সেরি মোহাম্মদ শুহাইলি মোহাম্মদ জাইন জানান, যাদের প্রবেশ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তাদের ‘নট টু ল্যান্ড’ (এনটিএল) পদ্ধতির আওতায় সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, কয়েকজন প্রবেশকারীর মোবাইল ফোনে একেপিএস কর্মকর্তাদের ছবি পাওয়া গেছে, যা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়। এই ছবিগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজর এড়াতে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা চালু
কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টার্মিনাল ১-এ প্রবেশে বাধা পাওয়া ১২৮ জনের মধ্যে ১২৩ জন বাংলাদেশি, ২ জন পাকিস্তানি, ২ জন ইন্দোনেশীয় এবং ১ জন সিরীয় নাগরিক। অন্যদিকে, টার্মিনাল ২-এ বাধা পাওয়া ৭০ জনের মধ্যে ৫১ জন ইন্দোনেশীয়, ১৩ জন ভারতীয়, ৪ জন পাকিস্তানি এবং ২ জন ভিয়েতনামী নাগরিক।






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































