প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-01086-NewsEdge24

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ শুধু ২০২৪ সালের ঘটনা নয়, বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস ধারণ করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাদুঘরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরবে। এটি শুধু ২০২৪ সালের স্মৃতি সংরক্ষণ করবে না, বরং বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারক হবে। তিনি আরও বলেন, জাদুঘর আগামী প্রজন্মের সামনে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচন করবে এবং সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও সাহসকে জাতীয় স্মৃতিতে ধারণ করার ঐতিহাসিক উদ্যোগ।

ফ্যাসিবাদের আমলে গুম-খুনকে স্বাভাবিক করে ফেলা হয়েছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদ চক্র গণতান্ত্রিক শাসন মেনে নিতে পারেনি। তাই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার রক্ষার সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণে এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের দিনকে যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: নির্দেশ অমান্য করে হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

অনুষ্ঠানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে জাইমা রহমানসহ সরকারের মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

1 comment on “জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হবে: প্রধানমন্ত্রী”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *