শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, ছাত্ররা আন্দোলন করছে ভালো কথা, তবে তাদের পরীক্ষা দিতে হবে। কর্মসূচি যদি দিতেই হয় শিক্ষা কার্যক্রম ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন করা ঠিক নয়। দাবির মুখে সরকার বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করবে না।

রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

এসময় শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সাত কলেজ নিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় করার কাজ চলছে, তাতে তিতুমীর কলেজও থাকবে। তবে কাউকে যদি বিশেষ বিবেচনা করি সেটা হবে রাজশাহী কলেজ। কারণ রাজশাহী কলেজ অনেক পুরোনো এবং ঐতিহ্যবাহী।

তিতুমীর কলেজকে বিশেষ বিবেচনায় নেওয়া হবে কি? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কোনো বিশেষ বিবেচনা করিনি। বিশেষ বিবেচনায় যদি নিয়ে থাকি তবে সেটি হবে রাজশাহী কলেজ। কেউ যদি বিশেষ বিবেচনায় থাকে সেটা হবে রাজশাহী কলেজ। আলটিমেটাম বা সময় বেঁধে দিয়ে কখনো বিশ্ববিদ্যালয় হয় না। একটা সুশাসন ও সংস্কারের জন্য আমরা এসেছি।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সাত কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে তৈরির জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারা কাজ করছেন।

তিনি বলেন, দেশের মোট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অর্ধেকই গঠিত হয়েছে সবশেষ সাত বছরে, যা বিশ্বে এক অনন্য রেকর্ড। আন্দোলন করা ভালো, কিন্তু পরীক্ষাও দিতে হবে। যারা নিয়মিত ক্লাস করতে চায় এবং জনদুর্ভোগ যেন না হয় সেদিকে নজর রেখে কর্মসূচি দেওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *