রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে একটি সাততলা আবাসিক ভবনে লাগা ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতরা দুই পরিবারের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে একই পরিবারের তিনজন মারা গেছেন। অন্য তিনজনের মধ্যে দুজন উত্তরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে এবং একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতরা হলেন— ফজলে রাব্বী (৩৮), হারিস (৫২), রাহাব (১৭), আফসানা, রোদেলা আক্তার (১৪) এবং আড়াই বছর বয়সী শিশু রিসান। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন এবং অধিকাংশই ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্ট ও দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
আগুনের ঘটনাটি ঘটে আজ সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের একটি সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলায়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে খবর পাওয়ার পর সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে উত্তরা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে রওনা হয় এবং সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সকাল ১০টার দিকে সম্পূর্ণ নির্বাপণ করা হয়।
আরও পড়ুন: মুছাব্বির হত্যা মামলায় প্রধান শুটারসহ তিনজন গ্রেপ্তার
এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ১৩ জনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আগুনের সূত্রপাতের কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।



















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































