ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ২০টি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত এসব ঘাঁটিতে হামলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে আইআরজিসি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
হামলাগুলো গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে চালানো বড় ধরনের হামলার জবাব হিসেবে শুরু হয়েছে। এরপর থেকে উভয় পক্ষই পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রেখেছে। ইরানে এ পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় দেশের ভেতরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই তেহরান, ইসফাহানসহ বড় শহরগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া দুষ্কর। তবে যারা যোগাযোগ করতে পেরেছেন, তারা জানিয়েছেন—রাস্তাঘাট বেশ শান্ত। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি অনেক বেড়েছে।
তেহরানের এক বাসিন্দা জানান, টানা পাঁচ দিন পর তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে ‘নাফত স্ট্রিট’-এর দিকে গিয়েছিলেন। এই সড়কের দুই ধার জুড়ে রয়েছে সারি সারি গাছ। সেই রাস্তা ঘিরে থাকা আবাসিক এলাকাতেই এক্সপিডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের প্রশাসনিক ভবন অবস্থিত—যেটিতে সোমবার রাতে হামলা হয়েছিল। বাসিন্দাটি বলেন, রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচল কম, কিন্তু সেনা ও পুলিশের টহল বেড়েছে।
আরও পড়ুন: উপসাগরে মার্কিন ট্যাঙ্কারে আঘাত হানলো ইরান
ইরানের এই পাল্টা হামলা উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার পর সেসব দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। আকাশপথে চলাচল পুরোপুরি স্থগিত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনও এই হামলার বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া আসেনি।









































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































