গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর আক্রমণে গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ১১৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, ‘গিডিয়নের রথ’ নামে নতুন একটি সামরিক অভিযান শুক্রবার (১৬ মে) ভোর থেকে উত্তর গাজায় নির্বিচারে বোমা হামলা শুরু করেছে। এই অভিযানের লক্ষ্য গাজার নিয়ন্ত্রিত এলাকা দখল, হামাসের সামরিক ও শাসন ক্ষমতা ধ্বংস এবং জিম্মিদের মুক্ত করা। হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে উত্তর গাজা ত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ব্যাপক স্থানচ্যুতি ঘটছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজা যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৫৩,১১৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,২০,২১৪ জন আহত হয়েছেন। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের দাবি, নিহতের সংখ্যা ৬১,৭০০-এর বেশি। হাজার হাজার মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ১,১৩৯ ইসরাইলি নিহত এবং প্রায় ২০০ জন জিম্মি হয়েছিলেন।
জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেকা আলবেনিজ ইসরাইলের গাজা শাসন পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “গাজার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার অধিকার ইসরাইলের নেই। গাজা দখল অবৈধ।” তিনি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) নির্দেশের কথা উল্লেখ করে ইসরাইলের দখলদারিত্ব শেষ করার আহ্বান জানান। জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ গাজায় সাহায্য বন্ধকে “জনগণের ধ্বংসের পরিকল্পনা” হিসেবে অভিহিত করেছে এবং অবিলম্বে অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
ইসরাইলের অবরোধ এবং ব্যাপক হামলার ফলে গাজায় মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। সাহায্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, বিদ্যুৎ ও পানির সংকট এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে গাজার জনগণ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। হাসপাতালগুলো আহতদের চিকিৎসায় হিমশিম খাচ্ছে।









































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































