ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত ঠিকাদার ও সাবেক যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ১৯৫ কোটি টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছে। রোববার (১৭ আগস্ট ২০২৫) এই আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২৩ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের মামলায় জি কে শামীমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও তাঁর সাত দেহরক্ষীকে চার বছর করে কারাদণ্ড দেন। এছাড়া, আট আসামির বিরুদ্ধে মোট ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮১৪ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়, যা ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, “অস্ত্রবাজ, টেন্ডারবাজ ও অর্থ পাচারকারীদের কোনো আদর্শ নেই। তারা দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করে।”
আরও পড়ুন: সাদাপাথরে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৭০ ট্রাক পাথর উদ্ধার
এই রায়ের বিরুদ্ধে জি কে শামীম হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিন ও বিচারপতি মো. যাবিদ হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে এবং তাঁর সাত দেহরক্ষীকে অর্থপাচার মামলা থেকে খালাস দেন।











































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































