শেখ হাসিনা-newsedge4

ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে প্লট দুর্নীতি মামলায় আইনজীবী হিসেবে লড়তে চাওয়া চারজনের আবেদন নাকচ করেছেন। আবেদনকারী আইনজীবীরা হলেন, মোরশেদ হোসেন শাহীন, ইমরান হোসেন, শেখ ফরিদ, এবং মো. তপু। আসামিরা পলাতক থাকায় বিচারক মো. রবিউল আলম এ আবেদন নাকচ করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী ছালাম।

৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে তিনটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ছয়জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিরা পলাতক থাকায় সাক্ষীদের জেরা করা হয়নি। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালত ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখ ধার্য করেছেন।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদক ছয়টি মামলা দায়ের করেছে। মামলাগুলোতে অভিযুক্তরা হলেন:

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ববি)

আরও পড়ুন: ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে যা যা বললেন সাবেক আইজিপি মামুন

জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা: শহীদ উল্লা খন্দকার (সচিব), কাজী ওয়াছি উদ্দিন (অতিরিক্ত সচিব), সাইফুল ইসলাম সরকার (প্রশাসনিক কর্মকর্তা), পূরবী গোলদার (সিনিয়র সহকারী সচিব), রাজউকের কর্মকর্তারা: আনিছুর রহমান মিঞা (সাবেক চেয়ারম্যান), মোহাম্মদ খুরশীদ আলম (সাবেক সদস্য, এস্টেট ও ভূমি), কবির আল আসাদ (সদস্য, প্রশাসন ও অর্থ), তন্ময় দাস (সদস্য, উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ), নুরুল ইসলাম (সদস্য, এস্টেট ও ভূমি), মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন (সাবেক সদস্য, পরিকল্পনা), সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (সাবেক সদস্য), শেখ শাহিনুল ইসলাম (পরিচালক, এস্টেট ও ভূমি-২), হাফিজুর রহমান (উপপরিচালক), হাবিবুর রহমান (উপপরিচালক), শরীফ আহমেদ (সাবেক প্রতিমন্ত্রী), সালাউদ্দিন (প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *