চিফ প্রসিকিউটর-আমিনুল ইসলাম-newsedge24

প্রতিহিংসামূলক বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোনো বিচার নয়, বরং সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সব মামলার বিচার নিশ্চিত করতে চান বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর ইতিমধ্যেই যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের স্বার্থে ৫ থেকে ৬টি মামলা পুনঃতদন্তের জন্য তদন্ত সংস্থায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম (এসআরএফ) আয়োজিত বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬-এ আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমরা কঠোরভাবে চেষ্টা করছি যাতে ট্রাইব্যুনালে জমা পড়া কোনো অভিযোগ রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসামূলক, মিথ্যা কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না হয়। প্রতিটি অভিযোগ ও মামলার ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আর সে জন্য প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সময় নিয়ে হলেও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য বিচার সম্পন্ন করতে চাই। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাড়াহুড়ো করার কোনো সুযোগ নেই।’

মামলার চাপ ও ট্রাইব্যুনালের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে মো. আমিনুল ইসলাম জানান, বর্তমানে কার্যরত দুটি ট্রাইব্যুনালে প্রায় ৩০টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিদিনই নিয়মিতভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও অন্যান্য বিচারিক প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। তবে মামলার সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এই দুটি ট্রাইব্যুনালের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: ৩ দিনেই বেনজীরকে ফেরানোর নথি দুবাইয়ে পাঠানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এই চাপ সামাল দিতে এবং বিচার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম আরও বেগবান করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি, প্রসিকিউশন টিমের সদস্য সংখ্যা বাড়ানো এবং তদন্ত সংস্থার জনবল বৃদ্ধির বিষয়টিও বর্তমানে সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।’

অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইনি ও আদালত বিষয়ক সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *