সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ রবিবার (২৫ মে, ২০২৫) দ্বিতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এই অধ্যাদেশকে ‘নিবর্তনমূলক ও কালাকানুন’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবিতে শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারী মিছিলে অংশ নিয়েছেন।
আজ সকালে সচিবালয়ে শত শত কর্মচারী তাদের দপ্তর ছেড়ে বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন। মিছিলে “অবৈধ কালো আইন মানব না” স্লোগানে মুখরিত ছিল সচিবালয় চত্বর। বিক্ষোভকারীরা সচিবালয়ের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে এসে অবস্থান নেন। দুপুরে পরিষদের সভাপতি মো. বদিউল কবীর ঘোষণা দেন, অধ্যাদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে। এরপর কর্মচারীরা সচিবালয়ের বাদামতলায় অবস্থান নেন।
গত বৃহস্পতিবার (২২ মে, ২০২৫) অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ সংশোধন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই অধ্যাদেশে ৪০ বছর আগের বিশেষ বিধানের কিছু ‘নিবর্তনমূলক ধারা’ সংযোজন করা হয়েছে, যা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সহজেই শাস্তি বা চাকরি থেকে বরখাস্তের সুযোগ তৈরি করে। কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য নতুন সংকট তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের সময়সূচি, সংস্কারের ধীরগতি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিরোধের কারণে সরকার চাপের মুখে রয়েছে। সচিবালয়ের এই বিক্ষোভ প্রশাসনিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।



















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































