প্রধান উপদেষ্টা-প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস-newsedge24-newsedge24

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহেশখালীতে শুধু গভীর সমুদ্র বন্দর নয়, একটি ব্লু ইকোনোমি গড়ে তোলার ভিশন নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “এই এলাকা শুধু একটি ফ্যাসিলেটিং জোন নয়, বরং এখানে একটি নতুন শহরের জন্ম হবে। সমুদ্রই হবে বিশ্বের পথে আমাদের মহাসড়ক।” বুধবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নবগঠিত মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। মিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণের নেতৃত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান উপদেষ্টা গভীর সমুদ্র নিয়ে গবেষণার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তিনি মহেশখালীতে আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং ফ্যাসিলিটি গড়ে তোলার পরামর্শ দেন এবং প্রয়োজনে বিশ্বের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়ার কথা বলেন। তিনি বলেন, “আমরা সমুদ্র জগতে কখনো প্রবেশ করিনি। এ বিষয়ে গবেষণা ও ফাইন্ডিংস নেই। অন্য দেশের গবেষণাপত্র খুঁজে বের করতে হবে এবং নিজস্ব গবেষণা করতে হবে। এজন্য প্রতিষ্ঠান ও একাডেমিয়া গড়ে তুলতে হবে। ওশান ইকোনোমি নিয়ে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজন করতে হবে।”

বৈঠকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “সেখানকার বনভূমির বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে।”

মিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রকল্পটি তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে: প্রথম ধাপ ২০২৫ থেকে ২০৩০, দ্বিতীয় ধাপ ২০৳০ থেকে ২০৪৫, এবং তৃতীয় ধাপ ২০৪৫ থেকে ২০৫৫ পর্যন্ত। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং জিডিপিতে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যুক্ত হবে।

আরও পড়ুন: শ্রমিকদের আগের অবস্থায় রেখে নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়: প্রধান উপদেষ্টা

বৈঠকে মিডার সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক, মো. সারোয়ার আলম, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না উপস্থিত ছিলেন। মিডার চেয়ারম্যান মহেশখালী-মাতারবাড়ী প্রকল্পের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন এবং আগামী চার মাসের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *