sk-hasina-newsedge24

জুলাই-আগস্ট গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১৬ জুন।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রটি ১৩৫ পৃষ্ঠার, যার সঙ্গে মোট ৮,৭৪৭ পৃষ্ঠার সমর্থনকারী তথ্য-উপাত্ত, দলিলিক প্রমাণ এবং ভিডিও-অডিও কলের বিস্তারিত সংযুক্ত রয়েছে। এই মামলায় ৮১ জন সাক্ষী উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার উপর পাঁচটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, যেখানে তিনি গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই মামলা জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নিরস্ত্র জনতার ওপর গুলি ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গঠিত। শেখ হাসিনা বর্তমানে পলাতক অবস্থায় থাকায় তাদের গ্রেপ্তারের জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চালানো হতে পারে। অন্যদিকে, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারে রয়েছেন।

রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিলের শুনানি শুরু হয়। এই শুনানি প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি-এ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *