তারেক রহমান-tarique rahman-newsedge24

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের দায়ের করা আপিলের শুনানি চলছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ মাসুদ। অপরদিকে, তারেক রহমান ও লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে শুনানি করবেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। আদালতে বিএনপির আইনজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন এবং অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান রায়হান বিশ্বাস।

এর আগে, গত ৩১ জুলাই আপিলের দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে খালাস দেন। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, বিচারিক আদালতের বিচার অবৈধ এবং অভিযোগপত্রটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল না। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে এবং গত ১ জুন আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দেয়।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ নেতাকর্মী আহত হন। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত এ মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

আরও পড়ুন: অর্থ পাচার মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন: লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু, মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম, মো. হানিফ, মাওলানা তাজউদ্দীন, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, মাওলানা শেখ ফরিদ, মাওলানা আবু সাইদ, মুফতি মঈনউদ্দিন শেখ, হাফেজ আবু তাহের, মো. ইউসুফ ভাট, আবদুল মালেক, মফিজুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হোসাইন আহমেদ তামিম, রফিকুল ইসলাম ও মো. উজ্জ্বল।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন: তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, শাহাদাৎ উল্লাহ, মাওলানা আবদুর রউফ, আবু হোমাইরা, মাওলানা সাব্বির আহমদ, আরিফ হাসান, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর, মো. আরিফুল ইসলাম, মহিবুল মোত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন, মো. খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো. ইকবাল, লিটন, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই এবং রাতুল আহম্মেদ বাবু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *