জাতীয় সংসদ-newsedge24

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

শনিবার সকালের অধিবেশনের শুরুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম আহমদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এ সফরের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এটি ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ পদক্ষেপ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফরে জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি বন্ধ করে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রশংসা করেন।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ সফর বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালার বাস্তব প্রতিফলন। মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার, জ্বালানি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ এবং চীনের সঙ্গে অবকাঠামো ও বাণিজ্য ভারসাম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারের প্রতি পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তিনি মালয়েশিয়া ও চীনকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *