জাতীয় ঐকমত্য কমিশন-newsedge4

জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ও অনুভূতির ভিত্তিতে সংশোধন প্রস্তাব আনা হচ্ছে। কমিশন কোনো বিষয় রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে না। ৭ জুলাই ২০২৫, সোমবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে দ্বিতীয় পর্যায়ের ১০ম দিনের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আজকের আলোচনায় উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালত সম্প্রসারণ, জরুরি অবস্থা ঘোষণা, এবং নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।

ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল নিয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আপত্তির কারণে কমিশন বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। তিনি বলেন, “আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে সতর্ক রয়েছি। আমাদের আলোচনা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে, এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

আরও পড়ুন: রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে বিএনপি’র ঐকমত্য-মতানৈক্য

আলোচনায় নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের বিষয়গুলো উঠে এসেছে। আজকের বৈঠকে বিশেষভাবে উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালতের সম্প্রসারণ, জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রক্রিয়া, এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. মো. আইয়ুব মিয়া, এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিসহ মোট ৩০টি দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *