রুহুল কুদ্দুস কাজল-010105-NewsEdge24

শুধু মাত্র বেঞ্চ বা বিচারপতির সংখ্যা বাড়িয়ে মামলার জট বা দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। এছাড়া গাজীপুরের মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী হেনস্তার ঘটনাটি আবেগ নয়, আইনি প্রক্রিয়াই সমাধান হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। রোববার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বেঞ্চ বাড়ানোর চেয়েও বড় বিষয় হলো—সংশ্লিষ্ট বেঞ্চগুলোতে কী পরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের জন্য গঠিত একটি বেঞ্চের উদাহরণ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, বেঞ্চটি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি কার্যদিবসের মধ্যে প্রায় ২৪টি ফাঁসির (মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত) মামলা নিষ্পত্তি করেছে। অথচ পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যায়, একই ধরনের এখতিয়ারসম্পন্ন অন্যান্য বেঞ্চ হয়তো সমপরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি করতে পারছে না।

তিনি আরও বলেন, বিচারপ্রার্থীদের, বিশেষ করে নির্জন কারাবাসে থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির অধিকার রয়েছে। তারা দোষী হলে সাজা ভোগ করবেন, আর নির্দোষ হলে খালাস পাবেন। এই অধিকার সমুন্নত রাখতে ক্ষেত্রবিশেষে প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ বা বিচারপতির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। তবে কেবল বেঞ্চ বাড়িয়েই মামলার স্তূপ কমানো সম্ভব নয়; মামলা নিষ্পত্তির গতিও নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদালতের এজলাসে স্থানস্বল্পতা ও আইনজীবীদের বিপুল উপস্থিতির কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রতিনিধির প্রবেশের যে বিকল্প প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। গতকালও দুইজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলসহ তারা সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনকে সাংবাদিকদের এই বিষয়টি অবহিত করেছেন বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *