জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের জামিন ও মামলা বাতিলের আবেদনের শুনানিতে হাইকোর্টে আওয়ামীপন্থী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিচারপতি জাকির হোসেন ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ ঘটনার পর জামিন শুনানির জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
সোমবার বিকেল ৩টার দিকে এবিএম খায়রুল হকের পক্ষে শুনানির জন্য হাইকোর্টে হাজির হন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম কে রহমান, কামরুল হক সিদ্দিকী, জেড আই খান পান্না, মোহসীন রশিদ, মোতাহার হোসেন সাজু, সৈয়দ মামুন মাহবুবসহ আওয়ামীপন্থী বেশ কয়েকজন আইনজীবী। এজলাস কক্ষে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।
শুনানির শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রাসেল আহমেদ আদালতকে বলেন, “অ্যাটর্নি জেনারেল মহোদয় এক সপ্তাহ সময় চেয়েছেন। শুনানি এক সপ্তাহ পরে রাখা হোক।” এর জবাবে খায়রুল হকের আইনজীবী মোহসীন রশিদ বলেন, “আপনি আদালতকে এভাবে নির্দেশ দিতে পারেন না।” এই মন্তব্যের পর উভয়পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হইচই শুরু হয়, যা পরে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এবিএম খায়রুল হকের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে যখন দেশছাড়া করা হলো, তখন আপনারা কোথায় ছিলেন? আজ খায়রুল হকের মতো গণতন্ত্র ধ্বংসকারী কুলাঙ্গারের জামিন চাইতে এসেছেন।” এই সময় হাইকোর্ট বারবার উভয়পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন: চাঁদাবাজি মামলায় মোজাম্মেল বাবুকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো
উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে হাইকোর্ট শুনানি স্থগিত করে আগামী ১৭ আগস্ট জামিন আবেদনের শুনানির জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। এই সময়ের মধ্যে উভয়পক্ষকে শান্তিপূর্ণভাবে শুনানির জন্য প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

























































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































