আবু সাঈদের প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত -newsedge24

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও শোকের মধ্য দিয়ে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)। আজ শহীদ আবু সাঈদ তোরণ ও মিউজিয়াম এবং স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সকাল ১১টায় শহীদের বাবা মকবুল হোসেন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

পরে শহীদের স্মৃতিচারণে আলোচনা সভা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “দ্রুতই আবু সাঈদ হত্যার বিচার হবে। তাঁর বাবা এ বিচার দেখে যেতে পারবেন।”

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রংপুরে বৈষম্যের অবসানের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও চীনের অত্যাধুনিক হাসপাতাল প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের ও ড. তানজিম উদ্দীন খান। সভাপতিত্ব করেন বেরোবির ভিসি প্রফেসর ড. শওকাত আলী। বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম ও ডিআইজি আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে ১৬ জুলাই রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৯টায় শোক র‌্যালি বেরোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেট থেকে, যা পার্ক মোড় ও মডার্ন মোড় ঘুরে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে শেষ হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় ভিসি ড. শওকাত আলীর নেতৃত্বে পীরগঞ্জের বাবনপুরে শহীদের কবর জিয়ারত করা হয়। বিকেলে ক্যাফেটেরিয়ায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বিএনপি, জাতীয়তাবাদী দল, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা শহীদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা শহীদকে ‘মুক্তির দিশারী’ হিসেবে স্মরণ করেন।

তথ্যসুত্র: বাসস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *