রাজধানী ঢাকায় ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাদ্দাম হোসেন পাভেলসহ দলটির অঙ্গসংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর ২ৰ২৫) ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাদ্দাম হোসেন পাভেল (৫০), পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তানজিল হোসেন ওরফে অভি (২৯), বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এ কে এম খোরশেদ আলম (৬৫), সূর্যমণি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান হাওলাদার (৪৩), বংশাল থানার ৩২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে বাবলু (৬১), উত্তরা পূর্ব থানার ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আল মামুন ভূঁইয়া (২৯), যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য মো. কায়কোবাদ ওসমানী (৫৩), এবং মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার খিতিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন (৬০)।
ডিএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাবেক সংসদ সদস্য সাদ্দাম হোসেন পাভেল আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের পাশাপাশি নাশকতার পরিকল্পনা ও অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে মোহাম্মদপুর এলাকায় ডিবি-সাইবার বিভাগ তাকে গ্রেপ্তার করে। একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় সবুজবাগ থানার মানিকদিয়া এলাকায় ডিবি মতিঝিল বিভাগ তানজিল হোসেন ও আনিসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: তেজগাঁও ও ধানমন্ডিতে ‘নিষিদ্ধ’ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল
রাত ৯টা ১৫ মিনিটে পান্থপথ এলাকায় ডিবি মতিঝিল বিভাগ এ কে এম খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করে। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে নয়াবাজার এলাকায় ডিবি লালবাগ বিভাগ দেলোয়ার হোসেন ওরফে বাবলুকে গ্রেপ্তার করে। বিকেল ৩টায় কোতোয়ালি থানার পুলিশ প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ডিবি-গুলশান বিভাগ আল মামুন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে। রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এলাকায় ডিবি-সাইবার বিভাগ কায়কোবাদ ওসমানীকে এবং একই সময়ে কাকরাইল এলাকায় ডিবি মতিঝিল বিভাগ আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা রয়েছে। তারা সংঘবদ্ধভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টায় লিপ্ত ছিল।




















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































