আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, নতুন আইনে ট্রাইব্যুনাল ইচ্ছে করলে (বাধ্যতামূলক না) বিচারকার্য অডিও ভিজ্যুয়াল রেকর্ড করে প্রচার করতে পারবে। ওনারা যদি মনে করে এটা প্রচার করা দরকার তাহলে সেই অংশ প্রচার করতে পারবেন।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রেফিং এ কথা জানান তিনি। এর আগে সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ত্রয়োদশ বৈঠকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, আজ ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন আইনে ট্রাইব্যুনাল ইচ্ছে করলে (বাধ্যতামূলক না) বিচারকার্য অডিও ভিজ্যুয়াল রেকর্ড করে প্রচার করতে পারবে। ওনারা যদি মনে করে এটা প্রচার করা দরকার তাহলে সেই অংশ প্রচার করতে পারবেন।

তিনি বলেন, এ বিচারটি যেন আন্তর্জাতিক মানের হয় সেজন্য দেশি-বিদেশি আইনজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়েই সংশোধন করা হয়েছে। এ্ই আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সবার সমান সুযোগ থাকবে। ১৯৭৩ সালের আইনের সাথে মিলিয়ে দেখবেন, নতুন আইনের অভিযুক্তদের বেশি সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যেকোন পক্ষ চাইলে তারা সাক্ষ্য আনতে পারবেন। সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবেন।

আসিফ নজরুল বলেন, আইনের ভিকটিমের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। যারা সাক্ষী দিতে বা ১৬৪ ধারা জবানবন্ধী দেবেন বা যেকোন উপায়ে সাক্ষী দিতে আসবেন সবার নিরাপত্তার জন্য পযাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই আইনে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের কম্পেনসেশন বিধান করা হয়েছে।

এই আইনের তিন বাহিনীকে বিচারের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আসামি পক্ষ বা ডিফেন্স ফোর্স যেকেউ চাইলে আন্তর্জাতিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবেন। এই আইনের নতুন একটি চমৎকার বিধান হয়েছে যে, পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিধানের স্পষ্ট করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বা দেশী যেকোন মানবাধিকার সংগঠন যে কেউ চায় এই বিচারকার্য পযবেক্ষণ করতে পারবে। বিচার কাজ শুদ্ধ হচ্ছে কি না, সঠিকভাবে হচ্ছে না কি উপস্থিত থেকে মনেটরিং করতে পারবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *