পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র তিন দিন বাকি। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের জন্য গাজীপুরের শিল্প-কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা কর্মস্থল ছেড়ে গ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। আজ বুধবার (৪ জুন) সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। তবে, যান চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। ঈদযাত্রার শুরুটি স্বস্তিদায়ক বলে মনে করছেন ভ্রমণকারীরা।
১০ দিনের ঈদের ছুটি উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গাজীপুর মহানগর পুলিশ, জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা প্রশাসন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন এবং সেনাবাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মাহফুজুল আলম জানান, তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মহাসড়কে টহল, চেকপোস্ট, এবং সিসিটিভি নজরদারি। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য মানুষ যাতে যানজট ও অন্যান্য ভোগান্তি ছাড়াই নিরাপদে বাড়ি পৌঁছাতে পারে।” হাইওয়ে পুলিশের গাজীপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাসির উদ্দিন জানান, মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া, যানজট এড়াতে বিকল্প পথে যান চলাচলের ব্যবস্থা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টিম কাজ করছে।
গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকার একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির শ্রমিক রুবেল হোসেন বলেন, “আজ সকালে বাসে উঠেছি, এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। রাস্তা ফাঁকা, আর পুলিশের উপস্থিতি দেখে নিরাপদ বোধ করছি।” একইভাবে, সাভারের বাসিন্দা সালমা বেগম জানান, “গত বছর যানজটে অনেক কষ্ট হয়েছিল। এবার রাস্তা পরিষ্কার, আশা করি এভাবেই বাড়ি পৌঁছাতে পারব।”






















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































