গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট ২০২৫) রাতে গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানায় অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জন ব্যক্তিকে আসামি করে দায়ের করা হয়। নিহতের বড় ভাই সেলিম বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিহাব খান মানবজমিনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার বিবরণ
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় মসজিদ মার্কেটের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন আসাদুজ্জামান তুহিন। এ সময় ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তুহিনের মৃত্যু হয়। তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে এবং স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
আরও পড়ুন: মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনের ৫ দিনের রিমান্ড
বাসন থানার ওসি মো. শিহাব খান জানান, ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এর মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, এবং খুনিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্ভাব্য কারণ
প্রাথমিকভাবে কিছু সূত্রে দাবি করা হয়েছিল যে, তুহিন চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ফুটপাত ও দোকানপাট থেকে চাঁদাবাজি নিয়ে ফেসবুকে লাইভ করেছিলেন, যা হত্যার কারণ হতে পারে। তবে পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, তুহিন একটি মারধরের ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছিলেন, যেখানে একজন নারী (গোলাপী নামে পরিচিত, যিনি একজন কলগার্ল হিসেবে চিহ্নিত) এবং বাদশা মিয়া নামে এক ব্যক্তির মধ্যে বিবাদ হয়। এই ঘটনার ভিডিও ধারণ করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা তুহিনকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, একজন যুবক প্রকাশ্যে এক তরুণীকে মারধর করছেন, এবং তুহিন এই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করছিলেন।






















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































