বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দলের নেতা-কর্মীদের কোনো আচরণে কষ্ট পাওয়া দেশবাসীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। মঙ্গলবার দলটির মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের খালাসের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর বলেন, “আমাদের কোনো আচরণে বা পারফরমেন্সে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে নিঃশর্ত ক্ষমা করে দেবেন। মানুষ হিসেবে আমরা ভুলের ঊর্ধ্বে নই, দল হিসেবেও তা দাবি করি না।” তিনি জানান, দলের কর্মী বা কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত বা কষ্ট পাওয়া সকলের কাছে ক্ষমা চান।
তিনি আরও বলেন, “বিপদেসহ দেশবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায়ের পরেও শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি, তবে সীমাবদ্ধতার কারণে পুরোপুরি কর্তব্য পালন করতে পারিনি।” তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, দেশবাসীর সমর্থনে দায়িত্ব পেলে প্রতিশোধ ও বৈষম্যের রাজনীতির অবসান ঘটাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার স্বৈরশাসন আমলে ‘পাতানো আদালত ও মিথ্যা সাক্ষীর’ মাধ্যমে জামায়াতের ১১ জন নেতার ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা তার বইয়ে এই অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি আরও বলেন, নেতাদের নির্যাতনের জন্য ‘সেফ হোম’ ও মিথ্যা সাক্ষী তৈরির জন্য ‘সেফ হাউস’ ব্যবহার করা হয়েছিল। এই বিচার প্রক্রিয়াকে তিনি ‘জেনোসাইড অব দ্য জাস্টিস’ হিসেবে অভিহিত করেন।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































