ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল-010107-NewsEdge24

সংবিধান অনুসারে বর্তমানে স্পিকারের (ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্বে থাকা ব্যারিস্টার কায়সার কামালই নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন বলে মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে কে শপথ পড়াবেন—তা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মতামত চাইলে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চায়, বর্তমানে ডেপুটি স্পিকার ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। এ অবস্থায় সাংবিধানিকভাবে তাদের করণীয় কী, সে বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়।

পরে আইন মন্ত্রণালয় তাদের মতামত জানায়। মন্ত্রণালয়ের মতে, নতুন রাষ্ট্রপতিকে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শপথ পড়াতে কোনো সাংবিধানিক বাধা নেই।

মতামতে বলা হয়েছে, বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বীর বিক্রম সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করায় সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে স্পিকারের যাবতীয় দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার পালন করছেন। ফলে স্পিকারের সব দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ানোর দায়িত্বও ডেপুটি স্পিকারের ওপর বর্তায়।

এদিকে দেশে ৩৫ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি বেছে নেওয়ার আয়োজন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জয় অনেকটাই নিশ্চিত। তারপরও ভোটের মাঠ ছাড়েনি বিরোধী জোট। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ।

রাষ্ট্রপতি পদে সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯১ সালে। এরপর সাতজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আজ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। এদিনই ভোট গণনা শেষে সংসদ কক্ষেই ফলাফল ঘোষণা করবেন নির্বাচনী কর্তা। পরে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।

এর আগে গত ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ কারণে ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *