আগামী রোববার (১৯ অক্টোবর) থেকে মেট্রোরেল পরিষেবার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। ঢাকা ম্যাস রেপিড ট্রানজিট কোম্পানী লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, নতুন সময়সূচি অনুযায়ী মেট্রোরেল দৈনিক এক ঘণ্টা বেশি চলবে। এর মধ্যে সকালে আধা ঘণ্টা আগে শুরু এবং রাতে আধা ঘণ্টা বেশি সময় পরিষেবা প্রদান করা হবে। এছাড়া, শুক্রবার দুপুরে মেট্রোরেলের চলাচল আধা ঘণ্টা আগে শুরু হবে।
ডিএমটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ বলেন, “যাত্রীদের সুবিধার্থে পর্যায়ক্রমে মেট্রোরেলের পরিষেবা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আগামী রোববার থেকে দৈনিক এক ঘণ্টা বাড়তি সময় মেট্রোরেল চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, ট্রিপ সংখ্যা বাড়াতে আরও কিছুদিন পরীক্ষামূলক চলাচল প্রয়োজন। আশা করছি, আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে ট্রিপ সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হবে।”
নতুন সময়সূচির বিবরণ
বর্তমানে মেট্রোরেল’র ১৩টি ট্রেনে দৈনিক গড়ে ৪ লাখ ২০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে প্রথম ট্রেন এখন সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ছাড়লেও, রোববার থেকে তা ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে ছাড়বে। রাতে উত্তরা থেকে সর্বশেষ ট্রেন বর্তমানে ৯টায় ছাড়ে, যা নতুন সূচিতে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে।
অন্যদিকে, মতিঝিল থেকে উত্তরার উদ্দেশ্যে সকালে প্রথম ট্রেন বর্তমানে সাড়ে ৭টায় ছাড়ে, যা নতুন সূচিতে সকাল ৭টায় ছাড়বে। রাতে মতিঝিল থেকে সর্বশেষ ট্রেন এখন ৯টা ৪০ মিনিটে ছাড়ে, যা পরিবর্তিত সময়ে রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়বে। ফলে, মতিঝিল থেকে ছেড়ে যাওয়া সর্বশেষ ট্রেন উত্তরা উত্তর স্টেশনে রাত পৌনে ১১টার দিকে পৌঁছাবে।
শুক্রবারের ক্ষেত্রে, বর্তমানে বেলা ৩টায় মেট্রোরেল চলাচল শুরু হলেও, নতুন সূচিতে তা বেলা ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। রাতের সময়ও আধা ঘণ্টা বাড়ানো হবে।
আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণ জরুরি: ফাওজুল কবির
ডিএমটিসিএল জানায়, মেট্রোরেলের লাইন ৬-এর জন্য মোট ২৪ সেট ট্রেন রয়েছে, যার মধ্যে ১৩ সেট নিয়মিত যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিন সেট ট্রেন বিশেষ প্রয়োজনে এবং একটি ট্রেন যাত্রী লাইন ও সংকেত ব্যবস্থা যাচাইয়ের জন্য সকালে চলাচল করে। বাকি ৭ সেট ট্রেন বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে না। তবে, সময়সূচি বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০ সেট ট্রেন কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এই পরিবর্তন যাত্রীদের জন্য আরও সুবিধাজনক এবং নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা নিশ্চিত করবে বলে আশা করছে ডিএমটিসিএল।







































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































