জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ কেবল সরকারের একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। তিনি জনগণ, রাজনৈতিক দল, ছাত্র সমাজ এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে জাতীয় সংসদের এলডি হলে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এক বৈঠকের শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে রাষ্ট্র সংস্কার ও জাতীয় সনদ প্রণয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
আলী রীয়াজ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা নিপীড়ন ও অত্যাচার সহ্য করেছেন, তবুও সাহসিকতার সঙ্গে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। এই অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।” তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সাহসী ভূমিকা এবং কারাবন্দি অবস্থায়ও আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কথা স্মরণ করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি জাতীয় সনদে পৌঁছানো। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমরা সুযোগ হাতছাড়া করব না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে কেউ নিপীড়নের শিকার হবে না এবং বিচারবহির্ভূত ব্যবস্থা থাকবে না।”
আলী রীয়াজ সংস্কার প্রক্রিয়াকে সবার যৌথ প্রচেষ্টার ফল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “রাজনৈতিক দল, ছাত্রসমাজ, সিভিল সোসাইটি ও গণমাধ্যম সবাই এই পথচলায় অংশীদার। এই সংস্কার প্রক্রিয়া পুরো জাতির বিষয়।” তিনি সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, লক্ষ্য হলো একটি ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































