ওবায়দুল কাদের-newsedge24

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন সিআইডির ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের উপপরিদর্শক শাহেদ জোবায়ের লরেন্স। একই দিনে কুষ্টিয়ায় জুলাই আন্দোলনে ৬ জন হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফের বিরুদ্ধে জব্দ তালিকার সাক্ষী ও পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুর রহমান সাক্ষ্য প্রদান করেন।

রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রধান প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ ও সহিদুল ইসলাম সরদার।

ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ৯ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন সিআইডির ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ শাহেদ জোবায়ের লরেন্স। তিনি মামলায় উদ্ধারকৃত আলামতসমূহের ডিজিটাল ও ফরেনসিক যাচাই-বাছাইয়ের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। সাক্ষ্য শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগপ্রাপ্ত স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।

এ মামলায় পলাতক আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এ মামলার সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ওই দিন প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা এমএ রাজ্জাক। ৬৫ বছর বয়সী এই সাক্ষী একসময় বেসরকারি চাকরি করতেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় তার ছেলে শহীদ হন।

আরও পড়ুন: নিজের ও পরিবারের সব ব্যাংক হিসাব উন্মুক্ত করলেন আসিফ মাহমুদ

অন্যদিকে, কুষ্টিয়ায় জুলাই আন্দোলনে ৬ জন হত্যা মামলায় মাহবুবুল আলম হানিফের বিরুদ্ধে জব্দ তালিকার সাক্ষী ও পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুর রহমান সাক্ষ্য দেন। এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১০ মার্চ দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *