পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় অস্ত্র হাতে গুলি করা যুবকের নাম-পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। তার নাম তুষার মণ্ডল (ভেলুপাড়া, ঈশ্বরদী পৌরসভা), পাবনা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ সহচর।
সংঘর্ষের পরপরই ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, তুষার মণ্ডল নামের ওই যুবক প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিপক্ষের দিকে তাক করে একের পর এক গুলি ছুড়ছেন। ভিডিওটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাইরাল হয়ে পড়ে।
ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফ অভিযোগ করেন, “জামায়াতকর্মী তুষার মণ্ডল প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর গুলি করেছে। সে তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের সন্ত্রাসী কিল
সাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুর রহমান হামদু মেম্বার বলেন, “জামায়াতের কোনো গণসংযোগ ছিল না। তারা পুরোনো বিরোধের জেরে গাড়িভর্তি অস্ত্র নিয়ে এসে হামলা চালায়। আবু তালেব মণ্ডল নিজে গাড়ি থেকে অস্ত্র বের করে কর্মীদের হাতে তুলে দেন।”
পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “জামায়াতের সশস্ত্র কর্মীরা গাড়িবহর নিয়ে এসে বিএনপির ওপর হামলা করে। গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। পালানোর সময় নির্বিচারে গুলি করে দায় বিএনপির ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাবনা জেলা জামায়াতের আমির আবু তালেব মণ্ডল। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “অস্ত্র হাতে যে যুবকের ছবি ভাইরাল হয়েছে, সে আমাদের দলের কেউ নয়।”
আরও পড়ুন: পাবনায় সহিংসতার ঘটনায় বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































