মির্জা-ফখরুল-ইসলাম-আলমগীর-newsedge24

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গ্রামীণ সমাজ ও জনগণের জীবনমানের গুণগত পরিবর্তন আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

সোমবার রাজধানীর সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (সিরডাপ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিরডাপের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং দ্বিতীয় বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পল্লী উন্নয়ন এ সরকারের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পল্লী উন্নয়নে কাজ করছে নির্বাচিত সরকার। কৃষি সহযোগিতা, কৃষি সেচ, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা কার্ডের মাধ্যমে সাধারণ প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নেও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া বর্তমান সরকার পল্লী উন্নয়নকে কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান দিয়েছে। দলের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সার্বিক কল্যাণে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না ঠেলে দেয়: প্রধানমন্ত্রী

সিরডাপের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ৫ যুগ ধরে সংস্থাটি পল্লী উন্নয়নে কাজ করছে। প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সিরডাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, ‘সিরডাপের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও দ্বিতীয় বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে এ বছরের আয়োজন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, প্রথমবারের মতো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *